802 বার ভিউ
"এলোপ্যাথিক চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন

যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন বেশ কিছু ধরনের যে খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হয় সে খাবার গুলো কী কী এবং কোন কোন খাবার আমার জন্য গ্রহনীয় জানতে চাই ?

অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়ার পর যে ৬ ধরণের খাবার খাওয়া মারাত্মক ক্ষতিকর

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন

অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়ার পর যে ৬ ধরণের খাবার খাওয়া মারাত্মক ক্ষতিকর :

যেকোনো ধরনের একটু বেশি অসুস্থতার জন্যই আমরা ডাক্তারের শরণাপন্ন হই। এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ডাক্তার প্রথমেই যে ঔষধটি দেন সেটি হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন বেশ কিছু ধরনের খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এইসকল খাবার খেলে ঔষধের কর্মক্ষমতা কমে যাবে এবং বিরূপ প্রভাব স্বাস্থ্যের উপরে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। সুতরাং সাবধান।

যেকোনো ধরনের একটু বেশি অসুস্থতার জন্যই আমরা ডাক্তারের শরণাপন্ন হই। এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ডাক্তার প্রথমেই যে ঔষধটি দেন সেটি হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। এই ঔষধটি সাধারণত পানির সাথে খেতে হয় কারন যদি ফলের জুস বা অন্য কোন ধরনের দুগ্ধ জাতীয় খাবারের সাথে সেটা খাওয়া হয় তাহলে এর কার্যকারিতার বিপরীত ফল হতে পারে। এছাড়া যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন বেশ কিছু ধরনের খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এখানে কিছু খাবারের তালিকা দেয়া হল যা চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় অবশ্যই বর্জন করতে হবে অন্যথায় সেটা ঔষধের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। বলা হয়ে থাকে যে, ঔষধের সাথে সেই খাবারগুলো সম্ভাব্য ৩টি উপায়ে পরস্পরের উপর ক্রিয়া করে। প্রথমত এগুলো দেহে ঔষধের শোষণকে বাধা দেয়। দ্বিতীয়ত ঔষধ থেকে দেহে শোষিত হওয়ার হারের গতি ধীর করে দেয় এবং সবশেষে দেহে ঔষধের ভাঙনে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার সময় অবশ্যই উচিত সঠিক খাবার গ্রহন করা। এবার দেখে নিন কোন কোন খাবার এই সময় বর্জনীয়।

অম্ল জাতীয় খাবার :

যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন প্রথম যে খাবারটি বর্জন করতে হবে তা হল উচ্চ মাত্রার অম্ল জাতীয় খাবার। চকলেট, বাদাম, টক ফল, টমেটো এই জাতীয় খাবার গুলো দেহে ঔষধ শোষিত হতে বাধা দেয়।

দুগ্ধ জাতীয় খাবার :

দই ছাড়া অন্য সব দুগ্ধ জাতীয় খাবার খাওয়া অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ চলার সময় বন্ধ রাখতে হবে। দুধ, পনির ইত্যাদিতে উচ্চ মাত্রার ক্যালসিয়াম থাকে যা অ্যান্টিবায়োটিক শোষণে বাধা দেয়। তবে দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিকের জন্য তা অ্যান্টিবায়োটিকের উপর কোন প্রভাব ফেলে না।

অ্যালকোহল :

চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় কখনই অ্যালকোহল গ্রহন করা যাবে না। অ্যালকোহলের মাঝে থাকা কিছু বৈশিষ্ট্যের জন্য ঔষধের কার্যকারিতায় মারাত্বক প্রভাব ফেলে।

আঁশ জাতীয় খাবার :

আঁশ জাতীয় খাবারের কিছু বৈশিস্ট্য পাকস্থলিতে খাবার শোষণের গতিতে ধীর করে। অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ নির্দিষ্ট সময় নিয়ে পাকস্থলিতে ভাঙে কিন্তু তখন যদি উচ্চ পরিমানে আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়া হয় তাহলে তখন সেই ঔষধ ভাল ভাবে কাজ করে না।

কফি :

যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন অবশ্যই যেসব পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে তা বর্জন করতে হবে। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় দেহের জন্য তখন তা বিষের মত।

অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট :

এই সময় যেসব খাবারে অতিমাত্রায় আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকে তা বর্জন করতে হবে। কারন এটি ঔষধের শোষনে হস্তক্ষেপ করে। লেখক শওকত আরা সাঈদা(লোপা) জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ এক্স ডায়েটিশিয়ান,পারসোনা হেল্‌থ খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান(স্নাতকোত্তর)(এমপিএইচ) তথ্য সূত্রঃ বোল্ড স্কাই 

ধন্যবাদ

আপনার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান বা অজানা উত্তরের জন্য বিনামূল্যে আমাদের প্রশ্ন করতে পারবেন। প্রশ্ন করতে দয়া করে প্রবেশ, কিংবা নিবন্ধন করুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর

9.6k টি প্রশ্ন

7.5k টি উত্তর

250 টি মন্তব্য

947 জন সদস্য

প্রশ্ন করুন
ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ সুস্বাগতম, এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।

বিভাগসমূহ

ক্যোয়ারী অ্যানসারস এ প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, কোনভাবেই ক্যোয়ারী অ্যানসারস দায়বদ্ধ নয়।
...